1 1 3000 1 300 120 30 https://www.techascentbd.com 1024
site-mobile-logo
site-logo

পর্ব:১- সময়ের মূল্য দিতে না পারলে সফলতা অধরাই থেকে যাবে।

ক্যারিয়ারে সফল ও ব্যর্থদের জীবনধারা অ্যানালাইস করে ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত কিছু পরামর্শ নিয়ে সিরিজ পোস্ট করছি। কথাগুলো মেনে চললে সফলতা কেউ আটকাতে পারবেনা। ————————–————————–———————— পর্ব:১- সময়ের মূল্য দিতে না পারলে সফলতা অধরাই থেকে যাবে। ————————–————————–———————— – মার্কেটে ১টা ড্রেস কিনতে […]

ক্যারিয়ারে সফল ও ব্যর্থদের জীবনধারা অ্যানালাইস করে ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত কিছু পরামর্শ নিয়ে সিরিজ পোস্ট করছি। কথাগুলো মেনে চললে সফলতা কেউ আটকাতে পারবেনা।
————————–————————–————————
পর্ব:১- সময়ের মূল্য দিতে না পারলে সফলতা অধরাই থেকে যাবে।
————————–————————–————————

– মার্কেটে ১টা ড্রেস কিনতে ৫ঘন্টা ব্যয় করলেন, সময়ের মূল্যটাই এখনও বুঝেননি।
– দিনে ৮-১০ ঘুন্টা ঘুম মানে, বছরে ১৫২ দিনই ঘুমিয়ে কাটালেন। কাজ করলেন কখন, সফলতা কিভাবে আশা করছেন।
– প্রতিদিন ৫ঘন্টা ইউটিউব কিংবা ফেসবুক বিনোদন উপভোগ করে যে কাটায়, তার জন্যতো বাকি সময়টা দারিদ্রতাকে উপভোগ করতেই হবে।
– বন্ধুদের সাথের আড্ডাতেই কেটে যাচ্ছে, প্রতিদিনের ৪-৫ঘন্টা, সফলতার জন্য সাধনা করবেন কখন?
– ফেসবুকে অন্যকে ট্রল করে, অন্যের ভুল ধরেই মূল্যবান সময়টা নষ্ট করছেন, নিজের সফলতার জন্য সময় বের করতে পারছেন কি আসলেই?
নিজের বেকারত্ব নিয়ে, দারিদ্রতা নিয়ে, ক্যারিয়ার নিয়ে হয়ত হতাশ। কিন্তু সেই হতাশাটি তৈরির কারণ আপনি নিজেই। সময়কে তার প্রাপ্য মূল্য দিতে পারছেন না। আর সেজন্য সময়ও আপনার জন্য কোন পুরস্কার বরাদ্দ রাখেনি।
উপরের কাজগুলো করে হয়ত প্রতিদিন সময় নষ্ট করছেন, কিন্তু যখনই বলা হবে, স্কীল বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন ৫-৭ ঘন্টা সময় দিন, তখনই আপনার সময়কে আর খুজে পাওয়া যায়না। ব্যস্ততার অজুহাত শোনা যায়।

 সফলতার জন্য পরামর্শ:
১) প্রথম কাজ হচ্ছে, আগামী ২দিন খাতায় লিখে হিসেব করেন, প্রতিদিন কত ঘন্টা মূল্যবান সময়কে অপচয় করছেন?
২) আগে এ ভাবনাটি মাথাতে গেথে ফেলুন।
এটি প্রতিযোগীতার যুগ। এটি সেই যুগনা যে আপনি সময়কে অপচয় করে প্রতিযোগীতাতে টিকে থাকতে পারবেন। গ্রামের মানুষরা হয়ত রাত ৯-১০টাতে ঘুমিয়ে যায়, দুপুরেও ৪-৫টা থেকে ফ্রি সময় কাটাচ্ছে, কিন্তু অন্যদিকে শহরে মানুষরা আরেকটু ব্যস্ততাতে কাটায়, আর সেজন্য শহরের মানুষরা গ্রামের লোকদের থেকে স্বচ্ছল। একইভাবে যাদেরকে সফল দেখে লোভ করছেন, তারা আরো বেশি ব্যস্ত সময় কাটায়, ৪ঘন্টার বেশি ঘুমানোর সুযোগ পায়না, বন্ধুদের সাথে আড্ডার সুযোগটি হয়ত বছরে ১-২দিন পায়, নাটক-মুভি কতদিন যে তারা দেখছেনা সেটা হয়ত তাদের কাছেও গননা করা নাই।
৩) এবার নিজের পরিকল্পনাকে সেট করুন,
– ৪-৫ঘন্টার বেশি কোন ঘুম কোন ভাবেই না।
– ফেসবুকে ১ঘন্টার বেশি সময় দিলে সেটা হবে অপচয়।
– নাটক কিংবা মুভি দেখতে চাইলে সপ্তাহে ১টার বেশি নয়।
– বন্ধুদের সাথে আড্ডার সময়টিকে ১ঘন্টার বেশি বরাদ্দ কোনভাবেই করা যাবেনা।
– প্রতিদিনে রুটিনে যেকোন নতুন দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ২-৩ঘন্টা সময় ব্যয় করুন। যা শিখছেন, সেটির প্রাকটিসের জন্য আরো ২ঘন্টা সময় বরাদ্দ করুন প্রতিদিনকার রুটিনে।
– বাসে যাতায়াত, কিংবা এরকম অন্য সময়গুলোতে স্টাডি করুন। আমি টয়লেটে গেলে, কিংবা বাসে যাতায়াত, কিংবা খাবার খাওয়ার সময় প্রচুর রিসোর্স স্টাডি করার অভ্যাস গড়ে তুলেছ্
– নেটওয়ার্ক তৈরি বর্তমানে যুগে ক্যারিয়ারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই প্রতিদিন অনলাইন আপনার স্কীল সম্পর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া সাইট কিংবা ব্লগে নিজের ভুমিকা (কনটেন্ট পোস্ট, সলিউশন কমেন্ট) রাখার চেষ্টা করুন। এ কাজে ২ঘন্টা সময় বরাদ্দ রাখুন। আর প্রতি মাসে নিজের কমিউনিটি যেকোন ধরনের প্রোগ্রামে (মিট আপ, ওয়ার্কশপ, আড্ডা ইত্যাদি) অবশ্যই অ্যাটেন্ড করার চেষ্টা করুন।
– নলেজ শেয়ার সম্পর্কিত আড্ডা দিন প্রতিদিন ২ঘন্টা। এটা অনলাইন কিংবা অফলাইন দুইভাবেই হতে পারে।
– নিজের স্কীলকে প্রচারের জন্য পরিকল্পনা অনুযায়ি প্রতিদিন ২ঘন্টা সময় বরাদ্দ রাখুন। কিভাবে প্রচার করবেন, সেটি পরে ১টা পর্বে আলোচনা করবো।
৪) মাইলস্টোন নির্ধারণ করে দক্ষতা বৃদ্ধির চেষ্টা করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
মাইলস্টোন সেট পরিকল্পনাটি হতে পারে নিচের মত:
– এ সপ্তাহের ১ম ৩দিনের মধ্যে লোগো ডিজাইনটি শিখে ফেলবো।
– পরের ৩দিনে অন্যের করা ২০টা লোগোকে কপি করে ডিজাইন করবো।
– মাসের ২য় সপ্তাহটি বরাদ্দ ডিজাইন ক্রিয়েটিভ বৃদ্ধির জন্য।
– ২য় সপ্তাহের ৬দিন কমপক্ষে ১০টি ডিজাইন লোগো কনটেস্টে ৫০টা ডিজাইন জমা দিবো।
– মাসের ৩য় সপ্তাহটি হবে পোর্টফলিও প্রস্তুত করার জন্য।
– ২য় সপ্তাহে করা ভাল ডিজাইনগুলোকে নিয়ে যত জায়গাতে সম্ভব পোর্টফলিও প্রস্তত করে ফেলতে হবে।
মাইলস্টোন সেট করার একটা পরিকল্পনা এখানে জাস্ট শেয়ার করলাম, আরো ভালো কিছুও হতে পারে।
৫) আমি সবসময় সবাইকে পরামর্শ দেই, রুটিনে নতুন কোন কাজ ঢুকলে, রুটিনে কোন কাজকে বাদ না দিয়ে বরং নতুন কাজটিসহই দৈনন্দিন রুটিন করে ফেলুন। তাহলে জীবনের সংগ্রাম শিখবেন, সময়ের অপচয় কমবে, প্রেসারে পড়ে কাজের মানও বাড়বে।
অর্থাৎ ধরেন, আপনি মা। একটা বাচ্চা পালতে হয়। এর পর কিভাবে কাজ শিখবেন। এখানে রুটিন থেকে কিছু বাদ না দিয়ে আপনার রুটিনের ঘুম থেকে কিংবা টিভি দেখার জন্য বরাদ্দ সময় থেকে সময়কে কাট করুন। আর এটি হচ্ছে, নিজের ভিতর থেকে প্রতিভাকে বের করে আনার উত্তম উপায়।
৬) প্রতিদিন ঘুমানোর সময় দিনের প্রতিটা সময়কে স্মরণ করে একবার মিলিয়ে নিন, আজকে কতটুকু সময় অপচয় করেছেন, আর কোন সময় ব্যয়টাকে মূল্যবান মনে করছেন। ভালটার প্রাকটিস পরের দিনও চালিয়ে নিন, আর অপচয়টা পরের দিন থেকে কমানোর পরিকল্পনা করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ুন। এ অভ্যাসটি আপনার জীবনকে পরিবর্তন করে দিবে।
সময় অত্যন্ত মূল্যবান জিনিস। সময়কে মর্যাদা দিলে সময়ও আপনাকে মর্যাদাপূর্ণ ক্যারিয়ার উপহার দিবো। আসুন উপরের পরামর্শ অনুযায়ি প্রতিদিনের সময়কে পরিকল্পনামাফিক ব্যয় করার অভ্যাস গড়ে তুলি, তাহলে সফলতাকে কেউ আটকিয়ে রাখতে পারবেনা।
ধন্যবাদ, ভাল লাগলে কমেন্ট এবং শেয়ার করুন। আর পরবর্তী পোস্টের জন্য আমার ওয়্যালে নজর রাখুন।

Ritom Shankhary

আমার নাম দেখে এতক্ষণে হয়ত আপনার মাথায় কিছু প্রশ্ন কিল-বিল করছে যে, আমি কে? কি খাই? কি করি? কই থাকি? ইত্যাদি। আর আমার সম্পর্কে কিছু না কিছু জানার অধিকার অবশ্যই আপনার আছে। সেকারণেই আমার সম্পর্কে কিছুটা জানানোর চেষ্টা করছি... আমি রিতম শাঁখারী। বয়সে তেমন একটা বড় নই। ছোট খাটো একজন গরীব মানুষ বলতে পারেন। নিজের সম্পর্কে বড়াই করে বলার মত কিছু এখনো অর্জন করতে পারিনি। তাও আমার সম্পর্কে যেহেতু জানার আগ্রহ নিয়ে এই পেজে এসেছেন, তাই চেষ্টা করছি, আমার সম্পর্কে আপনাদের কিছু বলার। আমার পেশা ও নেশা দুটোই কম্পিউটার। কম্পিউটারকে ভালোবেসে, টুকটাক কিছু করতে পারাঃ *প্রোফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলপার। *বেসিক ও এডভান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার। *সোসাল মিডিয়া মার্কেটার (এসএমএম)। *ভিডিও মার্কেটার (মার্কেটপ্লেসঃ ইউটিউব)। *প্রোফেশনাল ভিডিও এডিটর। *প্রোফেশনাল ফটোগ্রাফার। ব্যাক্তিগত কিছু বলতে চাইলে, বলতে হবে এখনো বিয়েসাধি করি নাই, তাই প্রেমিকার কথা জানতে চাইয়া লজ্জা দিবেন না। বাঙালী ঘরের গরীব মানুষ, তাই বাংলার খাবারটাই বেশি পছন্দ করি। আর সামাজিক প্রেক্ষাপটে আমি পুরোটাই ভিন্য। সমাজের মানুষ যখন ঘুম থেকে ওঠে তখন আমি কম্পিউটার শাটডাউন করে ঘুমাতে যাই। রাতকে ভালোবাসি, সেকারণে রাতের সৌন্দর্যকে উপভোগ করার চেষ্টা করি। কম্পিউটারের পাশাপাশি ফটোগ্রাফিকেও আপন করে নিয়েছি। তাই ক্যামেরার ভিউফাইন্ডারের মাঝে অপুরুপ বাংলাদেশকে দেখার শপথ গ্রহণ করেছি। আপনি চাইলে আমাকে বিভিন্ন সোসাইল নেটওয়ার্কে ফলো করতে পারেন। ফেসবুক আইডিঃ https://facebook.com/inforitom ফেসবুক পেজঃ https://facebook.com/ritomclick/ ইউটিউবঃ https://youtube.com/channel/UCDFWZ2ifI-13w5SApFj8grg আমার একটি ওয়েবসাইট আছে। চাইলে সেখানেও ঢু মেরে আসতে পারেনঃ www.inforitom.me

Previous Post
Next Post
0 Comments
Leave a Reply