1 1 3000 1 300 120 30 https://www.techascentbd.com 1024
site-mobile-logo
site-logo

ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের স্কীল বৃদ্ধি, সাথে সাথে ইনকামের ৫টি উপায়

আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স সম্পন্ন করেছেন।দক্ষতা বৃদ্ধি করলে বাংলাদেশেই মাসিক ৩০,০০০টাকা -৪০,০০০টাকা বেতনের প্রচুর চাকুরি রয়েছে। আর অনলাইনেতো ইনকাম আছেই।  কিন্তু কোর্স সম্পন্ন করলেই আপনার চাকুরি হয়ে যাবেনা। রিয়েল প্রজেক্টে করার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা থাকতে হবে। এখন প্রশ্ন চাকুরি না […]

আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স সম্পন্ন করেছেন।দক্ষতা বৃদ্ধি করলে বাংলাদেশেই মাসিক ৩০,০০০টাকা -৪০,০০০টাকা বেতনের প্রচুর চাকুরি রয়েছে। আর অনলাইনেতো ইনকাম আছেই।  কিন্তু কোর্স সম্পন্ন করলেই আপনার চাকুরি হয়ে যাবেনা। রিয়েল প্রজেক্টে করার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা থাকতে হবে। এখন প্রশ্ন চাকুরি না দিলে অভিজ্ঞতা কিভাবে অর্জন হবে?

চাকুরি পাওয়ার আগেই কিভাবেই অভিজ্ঞতা অর্জন করবেন, সেই বিষয়টি নিয়েই আমার এ পোস্ট:

marke

১) ফাইভারের গিগ র‌্যাংকিং:

ফাইভারে আপনার গিগ রয়েছে, সেই গিগকে ফোরাম পোস্টিং, ব্লগ কমেন্টিং, ব্লগে আর্টিকেল মার্কেটিং, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে গিগকে র‌্যাংকিং করেন। ভাল প্রাকটিস হবে। কাজটা বৃথা সময় নষ্ট হবেনা। প্রাকটিস যেমন হবে, গিগে প্রচুর অর্ডার পেয়ে যাবেন। প্রাকটিস, ইনকাম দুইটাই হয়ে গেলো।

২) ফেসবুক পেজকে পপুলার করা:

যেকোন মানিং ম্যাকিং সাবজেক্ট নিয়ে পেজ রেডি করে ফেলেন। সেই পেজে নিয়মমাফিক অ্যাংগেজমেন্ট বৃদ্ধির চেষ্টা করেন। সেই পেজ থেকে ইনকাম জেনারেট হয় কিনা সেই চেষ্টা করেন। ইনকাম, প্রাকটিস দুটিই হবে। কিরকম পেজ হলে ইনকাম হবে, সেই আইডিয়া দিচ্ছি। নিজের ইকমার্স বিজনেসের পেজ, অন্যের ইকমার্সের মার্কেটিংযের জন্য পেজ, ডোমেইন-হোস্টিং বিজনেসের জন্য পেজ, ফাইভারের গিগ সেল করার জন্য ফেসবুক পেজ।

৩) নিজের ব্লগকে পপুলার করাঃ

নিজের একটা ব্লগ খুলেন। সেই ব্লগকে র‌্যাংক করার জন্য যতরকম চেষ্টা আছে, মানে যা যা শিখেছেন, সেগুলোর প্রাকটিস করুন। দেখেন ব্লগটাকে র‌্যাংক করতে পারেন কিনা। চাইলে ব্লগটা হতে পারে, ফাইভারের গিগ সেল করার জন্য। সেইভাবে ব্লগটার পরিকল্পনা করেন। তাহলে ইনকামটা দ্রুত শুরু হবে। চাইলে অন্যের গিগকেও তখন আপনার ব্লগ হতে মার্কেটিং করে দিতে পারবেন। ইনকাম, প্রাকটিস ‍দুইটাই এবারও হলো।

৪) ডাইরেক্ট বায়ার ধরে ইনকাম প্রাকটিসঃ

ডিরেক্ট বায়ার পাওয়ার কতগুলো পন্থা খুজে বের করতে পারেন, সেগুলো শিখে নেন। সম্ভাব্য বায়ারকে বায়ারে কনভার্ট করার জন্যই এসইও বা মার্কেটিং এক্সপার্টদের রাখা হয়। আপনি সেই কাজটি করতে পারছেন কিনা, প্রাকটিস করেন। বায়ার খোজার সোর্সগুলোও সম্পর্কেও শিখা হলো, বায়ারদের কনভেন্স করাটাও প্রাকটিস হলো। সেই সাথে এখানেও ইনকামটা নিশ্চিত করতে পারলেন।

৫) নিজের স্কীলটাকে প্রচার করা ঃ

আচ্ছা উপরের কিছুই করতে পারছেননা। আচ্ছা, তাহলে শুধু এটাই করেন। আপনার স্কীল রিলেটেড বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার কমিউনিটি, গেস্ট ব্লগ সাইট, এবং ফোরাম সাইটগুলোতে আপনাকে স্কীল পার্সন হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। এটাও যদি না পারেন, তাহলে অন্যের কোম্পানীকে প্রোডাক্টকে সেরা হিসেবে কিভাবে প্রতিষ্ঠা করবেন? নিজের স্কীলকেই মার্কেটিং করুন। প্রাকটিস হবে, অনেক জায়গাতে কাজের জন্য হায়ার হয়ে যাবেন।

উপরের ৫টার যেকোন একটা স্কীল অর্জনেই আজ থেকে প্রাকটিস শুরু করেন। এই পোস্ট পড়ার পর, আশা করি, কারও অজুহাত থাকবেনা যে, আমাকে কেউ কাজ না দিলে আমি কিভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করবো। আর মনে রাখবেন, মার্কেটিং মানে শুধু বিভিন্ন মিডিয়া এবং টুলস সম্পর্কে জ্ঞান না। আরও অনেক কিছু, যা প্রাকটিস করেই দক্ষতা অর্জন করতে হয়। জীবনে কিছু না করে সেই দক্ষতা অর্জন সম্ভব নয়। আর অদক্ষ লোককে কেউ চাকুরিতে নেওয়ার মত রিস্ক কখনই নিবেনা। আপনি নিজে হলেও নিবেননা।

Ritom Shankhary

আমার নাম দেখে এতক্ষণে হয়ত আপনার মাথায় কিছু প্রশ্ন কিল-বিল করছে যে, আমি কে? কি খাই? কি করি? কই থাকি? ইত্যাদি। আর আমার সম্পর্কে কিছু না কিছু জানার অধিকার অবশ্যই আপনার আছে। সেকারণেই আমার সম্পর্কে কিছুটা জানানোর চেষ্টা করছি... আমি রিতম শাঁখারী। বয়সে তেমন একটা বড় নই। ছোট খাটো একজন গরীব মানুষ বলতে পারেন। নিজের সম্পর্কে বড়াই করে বলার মত কিছু এখনো অর্জন করতে পারিনি। তাও আমার সম্পর্কে যেহেতু জানার আগ্রহ নিয়ে এই পেজে এসেছেন, তাই চেষ্টা করছি, আমার সম্পর্কে আপনাদের কিছু বলার। আমার পেশা ও নেশা দুটোই কম্পিউটার। কম্পিউটারকে ভালোবেসে, টুকটাক কিছু করতে পারাঃ *প্রোফেশনাল ওয়েব ডিজাইনার ও ডেভেলপার। *বেসিক ও এডভান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার। *সোসাল মিডিয়া মার্কেটার (এসএমএম)। *ভিডিও মার্কেটার (মার্কেটপ্লেসঃ ইউটিউব)। *প্রোফেশনাল ভিডিও এডিটর। *প্রোফেশনাল ফটোগ্রাফার। ব্যাক্তিগত কিছু বলতে চাইলে, বলতে হবে এখনো বিয়েসাধি করি নাই, তাই প্রেমিকার কথা জানতে চাইয়া লজ্জা দিবেন না। বাঙালী ঘরের গরীব মানুষ, তাই বাংলার খাবারটাই বেশি পছন্দ করি। আর সামাজিক প্রেক্ষাপটে আমি পুরোটাই ভিন্য। সমাজের মানুষ যখন ঘুম থেকে ওঠে তখন আমি কম্পিউটার শাটডাউন করে ঘুমাতে যাই। রাতকে ভালোবাসি, সেকারণে রাতের সৌন্দর্যকে উপভোগ করার চেষ্টা করি। কম্পিউটারের পাশাপাশি ফটোগ্রাফিকেও আপন করে নিয়েছি। তাই ক্যামেরার ভিউফাইন্ডারের মাঝে অপুরুপ বাংলাদেশকে দেখার শপথ গ্রহণ করেছি। আপনি চাইলে আমাকে বিভিন্ন সোসাইল নেটওয়ার্কে ফলো করতে পারেন। ফেসবুক আইডিঃ https://facebook.com/inforitom ফেসবুক পেজঃ https://facebook.com/ritomclick/ ইউটিউবঃ https://youtube.com/channel/UCDFWZ2ifI-13w5SApFj8grg আমার একটি ওয়েবসাইট আছে। চাইলে সেখানেও ঢু মেরে আসতে পারেনঃ www.inforitom.me

Freelancing
Previous Post
Next Post
0 Comments
Leave a Reply